• খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯, যোগাযোগ: ০১৯১২ ০৪৯ ০৪৬, ০১৫৫৪ ৮৩৫ ৩৯৭
0 Comments

আউটসোর্সিং কি ?

আউটসোর্সিং হল ফ্রিল্যান্সিং শব্দের মূল অর্থ হল একটি স্বাধীন পেশা। অর্থাৎ আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করে আয় করার পদ্ধতিই হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং ।

ইন্টারনেট এর মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কাজ প্রদান করে তা ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে তা করিয়ে নেয়া। নিজের প্রতিষ্ঠান বাদে অন্য কোন ব্যক্তি অথবা কোন প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে এসব কাজ করানোকেই আউটসোর্সিং বলে। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করেন, তাদের ফ্রিল্যান্সার বলে।

কিভাবে আউটসোর্সিং করতে হয়?

আউটসোর্সিং ইন্টারনেটের মাধ্যমে করতে হয়।অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস রয়েছে। যেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন কাজ এই সব মার্কেটপ্লেসে দিয়ে থাকে। আর এই কাজ গুলো ফ্রিল্যান্সাররা প্রতিষ্ঠানের নিয়ম বা শর্ত অনুযায়ী করে দিয়ে আয় করে থাকেন

ফিল্যান্সিং ক্যারিয়ার সবার জন্য গাইডলাইনঃ

ফ্রিল্যান্সিং খাতে বাংলাদেশ বেশ ভাল অবস্থানে আছে, বিশ্বে বাংলাদেশের দক্ষ পেশাদারদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে শত শত  কোটি টাকার। হিসেব মতে বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সার আছে ৫ লক্ষাধিক।

ফ্রিল্যান্সিং যেমন সম্ভাবনা, তেমনি এ নিয়ে আছে প্রচুর ভুল ধারণা, আবার ভুল ধারণাকে পুঁজি করে গড়ে উঠেছে অসাধু ব্যবসায়ীদের প্রতারণার ফাঁদ। এ সব নিয়েই আলোচনা হবে এই লেখাতে।

ফ্রিল্যান্সিং হল কোন প্রতিষ্ঠানে পার্মানেন্ট চুক্তিবদ্ধ না হয়ে বরং প্রজেক্ট বেসিসে কাজ করা। ফ্রিল্যান্সিং করে আসছে মানুষ শত বছর ধরে। যেমন একজন রিক্সাওয়ালাও ফ্রিল্যান্সার, কারণ সে অন্যের রিক্সা চালায়, ইচ্ছা হলে প্যাসেঞ্জার নেয়, নাহলে নেয় না। তার ফ্রিডম আছে। ইদানিং ফটোগ্রাফাররাও ফ্রিল্যান্সার, কারণ তারা কোথাও ফটোগ্রাফার হিসাবে চাকরি না করে বরং অনুষ্ঠান বেসিসে শুট করে আর পারিশ্রমিক নেয়।

অন্যদিকে এন্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট, গেইম ডেভেলপমেন্ট, থ্রিডি, অটোক্যাড, এনিমেশন, ডেটা সাইন্স এরকম কাজ গুলোতে এদেশের খুব কমই স্কিল্ড আছে। এই খাতে কম্পিটিশনও কম। ডিমান্ডিং কাজ গুলোর একটা স্টাডি কমেন্টে দিচ্ছি।

ফ্রিল্যান্সিং কেন করবেন:

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মুক্তপেশা।মানুষ বিভিন্ন কারনে করতে পারেন।সাধারনত যেসব কারনে মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করেন তার একটা নমুনা তুলে দেওয়া হচ্ছে-

বেতন কম:

অনেকে রয়েছেন যিনি কোন সরকারী বা বেসরকারী চাকরি করেন,কিন্তু তার বেতন কম।এজন্য তিনি অতিরিক্ত সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করে তার আয় বাড়ান।এমন উদাহরনও আছে যে অনেকে চাকরি ছেড়ে দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করছেন।

ছোটখাট ব্যবসা:

কেউ কেউ খুব ছোট আকারে ব্যবসা করেন,ব্যবসাতে তার সময়ও তেমন ব্যয় হয় না তেমনি সেখান থেকে তার খুব বেশী লাভও আসে না। তিনি চান তিনি তার ব্যবসা করার সময় বাদ দিয়ে যে অতিরিক্ত সময় পান সেই সময়ে তার যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করবেন ।

পেশা হিসাবে:

কেউ কেউ এটাকে তার পুরোপুরি পেশা হিসাবে নিতে চায়।কারন হিসাবে বলা যায় সে কম্পিউটারের বেশ কিছু বিষয়ে খুবই পারদর্শী,এখন তিনি চাচ্ছেন তিনি সেই দক্ষতাটাকেই কাজে লাগাবেন।একদিকে তার অর্থ উপার্জন হবে অন্যদিকে তার দক্ষতাগুলো আরো ধারালো হবে।তাছাড়া যোগ্য ব্যক্তিকে বেশী দেরী করেত হয় না কাজ পেতে,কম যোগ্যতাসম্পন্নদের মত।কাজেই তার জন্য এটাই বেশী সুবিধাজনক।

মুক্তভাবে কাজ করার ইচ্ছা:

মানূষ স্বাধীনভাবে কাজ করতে ভালবাসেন।মন যখন চায় তখন কাজ করেন,না চাইলে করেন না।কিন্তু  চাকরিতে এ ধরনের কোন সুযোগ নেই কারন-আপনি যার চাকরি করবেন তার কথা শুনতেই হবে।এখানে নিজের ইচ্ছার কোন মুল্য নেই।সাধারনত এ সমস্ত মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করেন।এর বাইরে আরো নানাধরনের কারন থাকতে পারে।

আউটসোসিং প্যাকেজঃ

যখন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার নিজের বা প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজে নিজে না করে বাইরের কাউকে দিয়ে করিয়ে নেয় তখন সেটি হচ্ছে আউটসোর্সিং।আর এ জন্য বিদেশীরা আউটসোসিং এর প্রতি বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। আর এ কারণে তাদের জীবনযাত্রার মান এত উন্নত।

উন্নত দেশগুলি আউটসোসিং জোর দেয়ার কারণ?

উন্নত দেশগুলিতে যেকোনো কাজের(আমেরিকা বা ইউরোপ)মজুরী অত্যন্ত বেশি। কোন কোম্পানীর যদি ওয়েবসাইট তৈরী করার প্রয়োজন হয়, আর এজন্য যদি একজন ওয়েব ডিজাইনার নিয়োগ করতে হয় তাহলে বিপুল পরিমান টাকার প্রয়োজন হয়। আবার সে কাজটিই যদি অন্য দেশের ওয়েব ডিজাইনার দিয়ে করিয়ে নেওয়া হয় তাহলে, তুলনামুলক কম টাকায় করিয়ে নেওয়া যায়।

তাই ঐসব দেশের মানুষ আমাদের মত দেশ থেকে করিয়ে নেন তাতে করে দুজনেরই লাভ। বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবস্থায় খুব সহজে এ কাজ করা সম্ভব। আপনি যদি ওয়েব ডিজাইনার, গ্রাফিক্স ডিজাইনার, অথবা আর্কিটেকচার যাই হোন না কেন ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তাদের কাজ করতে পারেন। এজন্য ঘরের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত,পাকিস্তান এবং ফিলিপাইন সেই সুযোগটিকে খুবই ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে। আমরাও যদি ফ্রিল্যান্সিং এর বিশাল বাজারের সামান্য অংশ কাজে লাগাতে পারি তাহলে এটি হতে পারে আমাদের অর্থনীতি মজবুত করার শক্ত হাতিয়ার।ফ্রিল্যান্সার সাইটি হচ্ছে একটি প্রতিযোগিতামূলক সাইট। এই সাইটে কাজ করতে হয় প্রতিযোগিতা দিয়ে।

 আপনার যদি প্রতিযোগিতার মানসিকতা থাকে যদি নিজেকে আউটসোর্সিং কাজের জন্য প্রস্তুত করে নিয়ে থাকেন তাহলে ফ্রিল্যান্সার আপনার জন্য কাজের সুযোগ রেখে দিয়েছে। আপনি অনায়াসে এ সুযোগ ভোগ করতে পারেন। অন্য ওয়েবসাইটগুলোর সাথে এই সাইটের পার্থক্য হচ্ছে প্রতিযোগিতা দিয়ে কাজ করতে হবে এবং আপনার দক্ষতা প্রমান করতে হবে। আর এইভাবেই আপনার নিজের ক্যারিয়ারকে গড়ে তুলতে হবে।ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করা আসলেই দারুন একটি ব্যাপার। এই কাজ যারা করে তারাই জানে যে, ফ্রিল্যান্সার আসলেই কি। এখানে আপনি নিজেই আপনার বস। কেউ আপনাকে কোন প্রকার হুকম করকত পারবে না। আপনিআপনার মতো করে স্বাধীন ভাবে কাজ করার সুযোগ পাবেন এই ফ্রিল্যান্সারের মাধ্যমে। অফিসের মালিক তো আপনি নিজেই। আউটসোর্সিং এর জন্য আপনারা যে ওয়েবসাইটগুলো সাথে পরিচিত হয়েছেন আশা করি আপনার এই সাইট থেকে কাজ করলেও সারা জীবন কাজ করতে পারবেন কাজ শেষ হবে না। যদি আপনি দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারেন।

ক্লাসগুলোতে অংশগ্রহনকারীদের জন্য যে যে সুবিধাগুলো থাকছেঃ

•             উন্নতমানের ল্যাব ক্লাসরুমের সুবিধা আছে।

•             প্রায় প্রতিটি ক্লাসের ভিডিও ক্লাস শেষে দেওয়া হবে।

•             উন্নতমানের প্রোজেক্টর সহ ক্লাস রুম।

•             কোর্স পরবর্তি সময়ে সাপোর্ট দেওয়া হবে।

•             স্টুডেন্টদের নিয়ে ফেসবুকে আলাদা গ্রুপ রয়েছে।

•             শুরু থেকে প্রফেশনাল লেভেল পর্যন্ত যাবতীয় বিষয় দেখানো হয়েছে।

•             হাতে কলমের পাশাপাশি প্র্যাক্টিকাল করে দেখান হবে।

•             প্রাকটিস করার জন্য প্রয়োজনীয় সোর্স ফাইল, সফটওয়্যার এবং টুলস প্রদান করা হবে।

অ্যাডভান্স এসইও কোর্সটিতে যা থাকবেঃ

•             এসইও কি, এসইও কতপ্রকার ও কি কি।

•             কী ওয়ার্ড রিসার্চ ।

•             অন পেজ অপটিমাইজেশন এর সকল খুঁটিনাটি বিষয়।

•             কন্টেন্ট রাইটিং মেথর্ড, কী-ওয়ার্ড রিসার্চ, সাইট ম্যাপ।

•             সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী সাইট মেকিং।

•             ওয়েবসাইটের লিংক স্ট্রাকচার।

•             অফ পেজ এর বিভিন্ন কলাকৌশল।

•             সকল প্রয়োজনীয় টুলস (গুগল এনালাইটিক্স, ওয়েবমাস্টার) এর ব্যবহার।

•             ফোরাম ফোরাম টিউনিং, ব্লগ টিউমেন্টিং।

•             আর.এস.এস সাবমিশন, প্রেস রিলিজ সাবমিশন, ডিরেক্টরি সাবমিশন।

•             লিংক হুইল, গেস্ট ব্লগিং, আর্টিকেল মার্কেটিং।

•             বেস্ট ব্যাকলিংক ফাইন্ডিং টেকনিক।

•             পীড়ামিড লিংক (সদ্য আবিষ্কৃত SEO টেকনিক!)।

•             ভিবন্ন ওয়েব অ্যানালাইজার সেট-আপ এবং মেইনটেন করা।

•             এসইও টাইটেল ট্যাগ, এসইও মেটাট্যাগ, এসইও এংকরট্যাগ।

•             সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে ওয়েবসাইটের URL রেজিট্রেশন করা।

•             গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস বানানো এবং এর ব্যবহার পদ্ধতি।

•             ইমেজ/ছবি, ভিডিও বা অডিও সার্চের জন্য আলাদা SEO টিপস।

•             upwok, freelancer, Elance-এর উপর বিশেষ ক্লাশ।

•             এসইও রিলেটেড অন্নান্য কিছু বিষয়।

আমাদের আউটসোর্সিং এবং ফ্রিল্যান্সিং কোর্সটিতে যা যা থাকছেঃ

•             অনলাইন মার্কেট প্লেস পরিচিতি এবং এদের মধ্যে পার্থক্য।

•             ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কি কি ধরনের কাজ কি পরিমানে আছে।

•             ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কি কি প্রায়োজন এবং কিভাবে প্রস্তুতি নিবেন।

•             কাজ করার ক্ষেত্র এবং বিভিন্ন কাজ সম্পর্কে ব্যাসিক ধারনা।

•             আপনার জন্য উপযুক্ত কাজের ক্ষেত্র খুঁজে বের করা।

•             মানি ট্রান্সফার পদ্ধতি ও অনলাইন ব্যাংকিং এর নিয়ম।

•             কাজের জন্য অ্যাপ্লাই এবং কাজ পাওয়ার পদ্ধতি।

•             প্রোফাইল ১০০% ভাগ যেভাবে সম্পন্ন করবেন।

•             গুগোল এডসেন্স কি এবং এর মাধ্যমে আয়ের উপায়।

•             কভার লেটার এবং ওয়ার্ক সাবমিশন করার পদ্ধতি।

•             ব্লগস্পট সাইট বা নিজের ওয়েব-সাইটের মাধ্যমে যেভাবে আয় করবেন।

•             এসইও কি, এসইও কতপ্রকার ও কি কি।

•             অন-পেজ এসইও কি এবং কিভাবে করবেন।

•             UpWork (odesk) ও freelancer এর বিভিন্ন অংশের পরিচিতি।

•             elance এবং fivre এর উপর বিশেষ ক্লাস।

•             মার্কেট প্লেসে কাজ করার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল বিষয়

ভর্তি সংক্রান্ত নিয়ম এবং কিছু তথ্যঃ

ভর্তির জন্য প্রত্যেক কে অনলাইনে অ্যাপ্লাই করতে পারেন কিংবা সরাসরি আমাদের অফিসে আসতে পারেন অফিসের ঠিকানা ক-২, মা-মণি ভবন, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯ (এক্স-টেক কম্পিউটার আইটি সেন্টার) । যেকোন তথ্যের জন্য ফোন করতে পারেনঃ ০১৯১২ ০৪৯ ০৪৬, ০১৫৪ ৮৩৫ ৩৯৭

Author

seo50441@gmail.com