• খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯, যোগাযোগ: ০১৯১২ ০৪৯ ০৪৬, ০১৫৫৪ ৮৩৫ ৩৯৭
0 Comments

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড কি?

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড হচ্ছে মাইক্রোসট কর্পোরেশন কর্তৃক প্রকাশিত মাইক্রোসফট অফিস নামক একটি সফটওয়্যার এর প্রথম এবং প্রধান অংশ। এটি প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯৯০ সালে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর প্রথম সংস্করণ ছিল ১৯৯৫ ভার্সন। এরপর এটি ৮ দফায় আপডেট হয়ে সর্বশেষ ২০১৯ ভার্সনে এসে পৌছেছে। ১৯৯৫ থেকে ২০০৭ ভার্সন পর্যন্ত যে ভার্সনগুলো এসেছে সেগুল ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত অর্থাৎ ফ্রি।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর গুরুত্ব

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর গুরুত্ব যে কতটা তা বলে শেষ করা যাবেনা। কেননা প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিটি পদক্ষেপে আপনি এর সম্মুখীন হবেন। অফিশিয়াল যেকোন কাজেই আপনি যান না কেন সেখানেই মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর প্রয়োজন কতটা আপনি লক্ষ করবেন।  অর্থাৎ লেখালেখি সম্পর্কিত যেকোন কাজের জন্য আপনার মাইক্রোসফট ওয়ার্ড শেখা অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন বলে আমি মনে করি ।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড কিভাবে শিখবো?

এটি শিখতে হলে আপনাকে কোন প্রতিষ্ঠান গিয়ে মাইক্রোসফট অফিস এ্যাপ্লিকেশন কোর্সটি করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার তাদের নিয়ম মেনে এবং অনেকগুলো অর্থের বিনিময়ে শিখতে হবে। অথবা আপনি ঘরে বসে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে শিখতে পারবেন। কোন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে কোর্স করার চাইতে ঘরে বসে শেখাটা অনেক সহজ এবং সল্প খরচে এটি করতে পারবেন। আপনাকে শুধু ভিডিও টিউটোরিয়াল গুলো দেখতে হবে এবং সে অনুযায়ী প্র্যাক্টিস করতে হবে। আপনি যত বেশি সময় ও মনযোগ দিতে পারবেন তত তারাতারি শিখতে পারবেন।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড কিভাবে শিখবো?

এটি শিখতে হলে আপনাকে কোন ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠান গিয়ে মাইক্রোসফট অফিস এ্যাপ্লিকেশন কোর্সটি করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনাকে তাদের নিয়ম মেনে শিখতে হবে।আপনি যত বেশি সময় ও মনযোগ দিতে পারবেন তত তারাতারি শিখতে পারবেন বলে আমি মনে করি।

কি ভাবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word) অ্যাপ্লিকেশন ওপেন করবেনঃ মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word) শুরু করার জন্য নীচের নিয়ম গুলো একে একে ব্যাবহার করুন।

1.প্রথমে কম্পিউটারের Start বাটনে ক্লিক করুন।

2.এরপর একটি Pop Up মেনু খুলবে এবং সেখান থেকে All Programs আইকনে ক্লিক করুন (Windows 7-এর ক্ষেত্রে)।

3.এবার All Programs থেকে মাইক্রোসফট অফিস 2007 (MS Office 2007)-এ ক্লিক করুন এবং একটি নতুন মেনু খুলবে সেখান থকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word 2007) সিলেক্ট করুন।

4.কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন অ্যাপ্লিকেশন খুলতে।

5.এছাড়াও Run অপশনে গিয়েও মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word 2007) ওপেন করতে পারেন। (Start > Run > Type “WinWord” > Press Enter Key / Ok)

কিছু অতিপ্রয়োজনীয় প্রয়োজনীয় Key : মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word 2007) শুরু করার পূর্বে কয়েকটি প্রয়োজনীয় Key জেনে রাখা উচিত।

1.Enter Key : মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Enter Key সাধারণত কোন লাইনকে পরবর্তী লাইনে নিয়ে যেতে অর্থাৎ নতুন লাইন শুরু করতে ব্যবহার করা হয়। কিবোর্ডের মাঝামাঝি অবস্থানে Enter লেখা ও বামদিকে বাঁকানো অ্যারো চিহ্নসহ Key-টি Enter Key.

2.Spacebar Key : দুটি শব্দ ( Word)-এর মাঝে অল্প ফাঁক দিতে Spacebar Key ব্যবহার করা হয়। কিবোর্ডের সবথেকে বড় বাটনকে Spacebar Key বলা হয়।

3.Tab Key : মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোন বড় ফাঁক বা স্পেস (Space) দিতে এই বাটন ব্যবহার করা হয়। একবার Tab Key প্রেস করলে প্রায় হাফ ইঞ্চি ফাঁক বা স্পেস (Space) তৈরী হয়। কিবোর্ডের তৃতীয় সারিতে বাম দিকে অবস্থিত এই Key.

4.Caps Lock Key : সমস্ত অক্ষর বড় হাতে লিখতে এই বাটন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিবোর্ডের চতুর্থ সারিতে বাম দিকে অবস্থিত এই Key.

5.Back Space Key : কোন লেখা মুছে ফেলতে এই Key ব্যবহার করা হয়। কার্সর যেখানে থাকে তার বাম দিকের লেখা অক্ষর একটা একটা করে মুছে যায় প্রতিবারে Back Space Key-এর প্রেসের মাধ্যমে। এটি Enter Key-এর উপর অবস্থিত।

এছাড়াও Delete, Page Down, Page Up, Shift প্রভৃতি Key কম বেশি ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word) : প্রথমে একটা লেটার বা চিঠি লিখে সেটাকে সঠিক ফরম্যাটে সাজাব মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word 2007)-এর বিভিন্ন অপশন ব্যবহার করে।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড দ্বারা যে সকল কাজ করা যায়ঃ

১. যে কোন চিঠি পত্র তৈরি করা (ব্যক্তিগত, অফিসিয়াল ও বাণিজ্যিক)

২. বিভিন্ন ধরণের প্রজেক্ট প্রোফাইল তৈরি করা যায়।

৩. প্রাথমিক ধাপের গাণিতিক কার্যাবলী সম্পাদন করা যায়। (যোগ, বিয়োগ, ভাগ, গুন, ইত্যাদি)

৪. গাণিতিক সমীকরণ লিপিবন্ধ করা যায়।

৫. বিভিন্ন ধরনের ছবি সংযোজন এবং রংয়ের ব্যবহার করে ডকুমেন্টের সৌন্দর্য বৃন্ধি করা যায়।

৬. ছাপার কাজের জন্যে প্রয়োজনী?য় কম্পোজ করা যায়।

ক্লাসগুলোতে অংশগ্রহনকারীদের জন্য যে যে সুবিধাগুলো থাকছেঃ

  • উন্নতমানের ল্যাব ক্লাসরুমের সুবিধা আছে।
  • প্রায় প্রতিটি ক্লাসের সীট ক্লাস শেষে দেওয়া হবে।
  • উন্নতমানের প্রোজেক্টর সহ ক্লাস রুম।
  • কোর্স পরবর্তি সময়ে সাপোর্ট দেওয়া হবে।
  • স্টুডেন্টদের নিয়ে ফেসবুকে আলাদা গ্রুপ রয়েছে।
  • শুরু থেকে প্রফেশনাল লেভেল পর্যন্ত যাবতীয় বিষয় দেখানো হয়েছে।
  • হাতে কলমের পাশাপাশি প্র্যাক্টিকাল করে দেখান হবে।
  • প্রাকটিস করার জন্য প্রয়োজনীয় সোর্স ফাইল, সফটওয়্যার এবং টুলস প্রদান করা হবে।

ভর্তি সংক্রান্ত নিয়ম এবং কিছু তথ্যঃ

ভর্তির জন্য প্রত্যেক কে অনলাইনে অ্যাপ্লাই করতে পারেন কিংবা সরাসরি আমাদের অফিসে আসতে পারেন অফিসের ঠিকানা ক-২, মা-মণি ভবন, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯ (এক্স-টেক কম্পিউটার আইটি সেন্টার) । যেকোন তথ্যের জন্য ফোন করতে পারেনঃ ০১৯১২ ০৪৯ ০৪৬, ০১৫৪ ৮৩৫ ৩৯৭ ।

Author

seo50441@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *