• খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯, যোগাযোগ: ০১৯১২ ০৪৯ ০৪৬, ০১৫৫৪ ৮৩৫ ৩৯৭
0 Comments

ওয়েব ডিজাইন হতে পারে ইন্টারনেট থেকে আয়ের নিশ্চিত উপায় !

ওয়েব ডিজাইন:

ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে একটা ওয়েবসাইটের জন্য বাহ্যিক অবকাঠামো তৈরী করা । অর্থাৎ ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে বা এর সাধারন রূপ কেমন হবে তা নির্ধারণ করা । ওয়েব ডিজাইনারের মুল কাজ একটা পূর্ণাঙ্গ ওয়েব সাইটের টেম্পলেট তৈরি করা, যেমন এটার লেয়াউট কেমন হবে, হেডারে কোথায় মেনু কেমন হবে, সাইডবার হবে কিনা এবং ইমেজগুলো কিভাবে প্রদর্শন করবে ইত্যাদি ।

কিভাবে শিখব:

ওয়েব ডিজাইন আপনি কয়েক ভাবেই শিখতে পারবেন । তবে অতি পরিচিত দুটি মাধ্যম হচ্ছে  প্রথমটি হলো প্রশিক্ষণের মাধ্যমে  আর দ্বিতীয়টি হলো  নিকটস্থ ট্রেনিং সেন্টার এর মাধ্যমে ।

আপনি তিনটি জিনিসের মাধ্যমে যে একটা জিনিস কে খুব সহজে আয়ত্ত করে নিতে পারে ১. কানে শুনে ২. চোখে দেখে ৩. কাজ করার মাধ্যমে । আসলে ওয়েব ডিজাইন তেমন কোন কঠিন বিষয় নয় । আপনি যদি মনে করেন কঠিন তাহলে এটি আপনার কাছে কঠিন মনে হবে আর যদি মনে করেন যে সহজ তাহলে সহজ । মূল কথা হল সেটা কঠিন হক বা সহজ হক তাতে কিছু যায় আসে না । আপনার মনোভাব টা এমন হওয়া চাই যে আমাকে শিখতেই হবে, তাহলেই আপতি শিখতে পারবেন এবং সফল হবেন ।

আয় সম্ভাবনা কেমনঃ

এটা নির্ভর করে আপনার অভিজ্ঞতায়। আমার মতে শুধুমাত্র ওয়েব ডিজাইনিং শিখে আপনি ১০০% আয় করতে পারবেন।

ওয়েব ডিজাইন শিখতে হলে আপনার কি যোগ্যতা লাগবে ও কত সময় লাগবেঃ

আমি মনে করি তেমন কোন যোগ্যতাই লাগবে না। আপনার ইচ্ছাশক্তিটাই যথেষ্ট। যে কেউ চাইলে ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারে। আর ওয়েব ডিজাইন শিখতে গেলে একদম নতুন হিসাবে ৬ মাস লাগতে পারে। তবে কিছুটা বেশি সময় দিলে ৪ মাসেই HTML and CSS ভালোভাবে আয়ত্ব করা সম্ভব। তবে মনে রাখবেন, ওয়েব ডিজাইনিং এর সাথে ওয়েব ডেভেলাপমেন্টের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। ওয়েব ডিজাইনিং শিখতে কম সময় লাগলেও ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট শিখতে ২ বছর পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।

আামাদের কিছু কথাঃ

প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে “ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট” জিনিসটা আসলে কি ?

আপনি কেন শিখবেন ওয়েব ডিজাইন ? সেটা ঠিক করে নিতে হবে ।

কি কি শিখতে হবে ? সেটা জানতে হবে ।

কোথা থেকে শিখতে হবে ?

কিভাবে শিখতে হবে ?

তারপর ভাবতে হবে – কোথায় কাজ করবেন ?

কেন শিখব:

ইন্টারনেট-ভিত্তিক ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ওয়েব ডিজাইনারদের চাহিদা অনেক। মূলত ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে একটা ওয়েবসাইটের জন্য বাহ্যিক অবয়ব তৈরি করা। ওয়েব ডিজাইনারের মূল কাজ একটা সাইটের জন্য টেমপ্লেট বানানো বা সাইটটি দেখতে কেমন হবে তা নির্দিষ্ট করা, ডিজাইন করা। ওয়েব ডিজাইনাররা সাধারণত স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট ডিজাইন করে থাকেন। আবার ডায়নামিক বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ডিজাইনের অংশটুকুর কাজও তাঁদের করতে হয়।

বতর্মানে ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে ক্রিয়েটিভ ওয়েবসাইট ডিজাইন করার জন্য প্রতিটি সাইটে ২০০ ডলার থেকে দুই হাজার ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। আমাদের দেশে ওয়েবসাইট ডিজাইনের জন্য প্রচুর আগ্রহী শিক্ষার্থী থাকলেও প্রয়োজনীয়সংখ্যক এবং মানসম্মত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নেই।

অনলাইনে কাজের কোনো শেষ নেই। বরং ওয়েবসাইট ডিজাইনারের সংকট রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের কাজেরও তাই সম্ভাবনা অফুরন্ত। তবে দুঃখজনক হচ্ছে, আমরা চাইলেও ভালো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা নিতে পারি না। হাতে গোনা কয়েকটি মানসম্মত প্রতিষ্ঠান থাকলেও এগুলো আবার ঢাকাভিত্তিক। তাই মফস্বলের কেউ এ সুযোগগুলো পায় না।

তবে যাঁরা ওয়েবসাইট ডিজাইনিং নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান তাঁরা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করে নিতে পারেন নিজেদের প্রশিক্ষণ ম্যাটেরিয়াল। ইন্টারনেটে শত শত ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে সচিত্র ওয়েবসাইট ডিজাইন শেখার সুযোগ রয়েছে। রয়েছে ভিডিওচিত্রও। আবার ওয়েবসাইট ডিজাইনিং শেখার প্যাকেজসহ বিভিন্ন সিডি পাওয়া যায় অনলাইনে। তবে সেগুলো টাকা দিয়ে কিনতে হয়, যেহেতু আমাদের দেশে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সবার পক্ষে এসব ভিডিও কিনে দেখা সম্ভব নয়, তাই টরেন্ট সাইটগুলোর মাধ্যমে চাইলে সংগ্রহ করে নিতে পারেন।

ওয়েবসাইট ডিজাইনার হওয়ার জন্য মূলত এইচটিএসএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট, জেকোয়েরি, ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটরের কাজ শিখলেই হয়। আর আরেকটু ভালো পারফরম্যান্সের জন্য পিএইচপি বেসিকসহ আরো কয়েকটি প্রোগ্রামে দক্ষতা অর্জনের প্রয়োজন পড়ে। আর এসব বিষয়ে কাজ করতে করতেই অনেক কিছু শেখার এবং দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে

ওয়েব ডিজাইন শিখতে হলে যা যা করতে হবে

লেআউটঃ একটা ওয়েবসাইট কিভাবে দেখাতে চান, কোন জিনিসটা কোন জায়গায় থাকবে যেমন-মেনুবার, টেক্ট কিংবা অন্য কোন উপাদান যা আপনার ওয়েবসাইটে আছে, এটা ঠিক করেই লেআউট তৈরী করা হয়। এটা আপনার কাস্টমার বা ক্লায়েন্ট বলেও দিতে পারে কিংবা আপনি নিজের মতো করতে পারেন।

রংঃ  একটা ওয়েব সাইটের সৌন্দয্য নির্ভর করে রং নির্বাচন করার উপর। রং কাস্টমারের পছন্দমতো নেওয়া উচিত। তবে রং নির্বাচন নির্ভর করে ওয়েবসাইটের উদ্দেশ্য আর কিসের ওয়েবসাইট সেটার উপর।

গ্রাফিক্সঃ গ্রাফিক্স বলতে লোগো, ছবি, আইকন এ-সব, যা একটা ওয়েবসাইটের সৌন্দয্য বৃদ্ধি করে । সঠিক জায়গায় সঠিক জিনিস বসাতে পারলেই হবে।

ফন্টঃ আপনি যেই ওয়েব ডিজাইন করুন না কেন, ওই ওয়েবে যে টেক্সট্ ব্যবহার করবেন তার ফ্রন্ট যেনো ভালো হয়। কেননা, বিভিন্ন ধরণের ফন্ট বিভিন্ন ওয়েবসাইটকে সুন্দর করে। ফ্রন্ট বলতে যে লেখাগুলো দেখাবেন সেগুলোর স্টাইল।

কন্টেন্টঃ কন্টেন্ট বলতে ওয়েবসাইটের ম্যাসেজ। কি বলতে চান সেটা ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা। ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট যেনো দরকারি আর গুরুত্বপূর্ণ হয়।

উপরের এই জিনিসগুলো মাথায় রাখলে একটা ভালো ওয়েব ডিজাইন সহজেই করা সম্ভব। এর বাইরেও কিছু জিনিস আমাদের জানা উচিত সেগুলো হচ্ছে-

নেভিগেশনঃ নেভিগেশন বলতে আমরা ওয়েবসাইটে যে মেনুবার দেখি সেটা। আপনার ওয়েবসাইটের সবগুলো বিষয় যেনো সহজেই ইউজার খুঁজে পায় কিংবা সার্চ করতে পারে, এই জন্য নেভিগেশন ব্যবহার করা।

আমাদের বৈশিষ্ট্য সমূহঃ

  • উন্নতমানের ল্যাব ক্লাসরুমের সুবিধা আছে।
  • প্রায় প্রতিটি ক্লাসের ভিডিও ক্লাস শেষে দেওয়া হবে।
  • উন্নতমানের প্রোজেক্টর সহ ক্লাস রুম।
  • কোর্স পরবর্তি সময়ে সাপোর্ট দেওয়া হবে।
  • স্টুডেন্টদের নিয়ে ফেসবুকে আলাদা গ্রুপ রয়েছে।
  • শুরু থেকে প্রফেশনাল লেভেল পর্যন্ত যাবতীয় বিষয় দেখানো হয়েছে।
  • হাতে কলমের পাশাপাশি প্র্যাক্টিকাল করে দেখান হবে।
  • প্রাকটিস করার জন্য প্রয়োজনীয় সোর্স ফাইল, সফটওয়্যার এবং টুলস প্রদান করা হবে।

ভর্তি সংক্রান্ত নিয়ম এবং কিছু তথ্যঃ

ভর্তির জন্য প্রত্যেক কে অনলাইনে অ্যাপ্লাই করতে পারেন কিংবা সরাসরি আমাদের অফিসে আসতে পারেন অফিসের ঠিকানা ক-২, মা-মণি ভবন, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯ (এক্স-টেক কম্পিউটার আইটি সেন্টার) । যেকোন তথ্যের জন্য ফোন করতে পারেনঃ ০১৯১২ ০৪৯ ০৪৬, ০১৫৪ ৮৩৫ ৩৯৭

Author

seo50441@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *